Loading

Coronavirus | COVID – 19

Coronavirus disease (COVID-19) is an infectious disease caused by a new virus affected world wide cases.

সর্দি-কাশি ও জ্বরে চিকিৎসকের পরামর্শ

জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর)

নম্বর: ১০৬৫৫০১৯৪৪৩৩৩২২২

Worldwide Novel CORONA Statistics as of 31 May 2020

0
Confirmed
0
Recovered
0
Deaths
বাংলাদেশ
  • আক্রান্ত: ৪২,৮৪৪
  • সুস্থ: ৯,০১৫
  • মৃত্যু: ৫৮২

তথ্যসূত্র: আইইডিসিআর

বিশ্ব
  • আক্রান্ত: ৫৯,২৭,২৫৫
  • সুস্থ: ২৪,৯৩,৫৩৫
  • মৃত্যু: ৩,৬৪,৯৩৩

তথ্যসূত্র: জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়

করোনা সন্দেহ বা আক্রান্ত হলে

● দেখতে হবে আক্রান্ত ব্যক্তি যাতে যথেষ্ট বিশ্রাম পান, পুষ্টিকর খাবার খান, প্রচুর পানি আর তরল পান করেন।

● একই ঘরে যখন সেবা কাজে, তখন মেডিকেল মাস্ক পরবেন দুজনে। হাত দিয়ে মাস্ক ধরবেন না। মুখে হাত দেবেন না। কাজ শেষে মাস্ক ফেলে দেবেন ময়লার ঝুড়িতে।

● বারবার হাত ধোবেন সাবান পানি দিয়ে বা স্যানিটাইজার দিয়ে: অসুস্থ ব্যক্তির সংস্পর্শে বা এর চারপাশের সংস্পর্শে এলে খাবার তৈরির আগে, খাবার খেতে বসার আগে ও টয়লেট ব্যবহারের পর।

● অসুস্থ মানুষের জন্য আলাদা বাসনপত্র, তোয়ালে, বিছানার চাদর—এসব জিনিস সাবান দিয়ে ধুতে হবে। অসুস্থ ব্যক্তি যা যা হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন, সেগুলো বারবার জীবাণু শোধন করুন।

● অসুস্থ ব্যক্তির অবস্থা শোচনীয় হলে বা শ্বাসকষ্ট হলে স্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রে ফোন করুন।

সূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

 

Air Transmission

Droplets that from infected person coughs or sneezes.

 

Human Contact

Person to person spread as close contact with infected.

 

Contaminated Objects

Touching or contact with infected surfaces or objects.

About Covid 19

Coronavirus disease (COVID-19) is an infectious disease caused by a new virus affected world wide cases.

What Is Coronavirus?

Coronavirus disease (COVID-19) is an infectious disease caused by a newly discovered coronavirus.

Most people infected with the COVID-19 virus will experience mild to moderate respiratory illness and recover without requiring special treatment.  Older people, and those with underlying medical problems like cardiovascular disease, diabetes, chronic respiratory disease, and cancer are more likely to develop serious illness.

The COVID-19 virus spreads primarily through droplets of saliva or discharge from the nose when an infected person coughs or sneezes, so it’s important that you also practice respiratory etiquette (for example, by coughing into a flexed elbow).

At this time, there are no specific vaccines or treatments for COVID-19. However, there are many ongoing clinical trials evaluating potential treatments. WHO will continue to provide updated information as soon as clinical findings become available.

করোনার সময়ে জরুরি সাহায্য পেতে ফোন করুন

 

করোনাবিষয়ক তথ্য পেতে এবং সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পর্কে তথ্য দিতে ওয়েবসাইট: corona.gov.bd

স্বাস্থ্য বাতায়নের হটলাইন নম্বর ১৬২৬৩

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের  হটলাইন নম্বর ৩৩৩

সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগের নম্বর: ০১৭৬৯০৪৫৭৩৯

মিথ্যা বা গুজব প্রচারের বিষয়টি নজরে এলে

৯৯৯  অথবা ৯৫১২২৬৪, ৯৫১৪৯৮৮

দাফন কার্যক্রমে সহায়তা পেতে

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই যুগ্ম সচিবের

মুঠোফোন নম্বর: ০১৭১২০৮০৯৮৩০১৫৫২২০৪২০৮

SYMPTOMS OF CORONAVIRUS

The most common symptoms of COVID-19 are fever, tiredness, and dry cough. Some patients may have aches and pains, nasal congestion, runny nose, sore throat or diarrhea. These symptoms are usually mild and begin gradually. Also the symptoms may appear 2-14 days after exposure.

Fever

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus.

Headache

Etiam in enim vestibulum suscipit sem quiserste molestie nibh viverra aliquet eget sit.

Cough

Minim veniam quis nostrud exercitation ullamco laboris nisi ut aliquip exea commodo.

Runny Nose

Duis aute irure dolor in reprehenderit in volupae velit esse cillum dolore eu fugiat nulla.

Sore Throat

At augue eget arcu dictum varius duis maec enas sed enim ut sem viverra aliquet eget.

Fatigue

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus.

Diarrhea

Zullam nulla eros ultricies sit amet nonummy imperdiet feugiat peded lectus mollis.

Shortness Of Breath

Maecenas dolor libero fringilla a leo quiserst consequat iaculis sapien.

Prevention & Advice

The best way to prevent and slow down transmission is be well informed about the COVID-19 virus, the disease it causes and how it spreads. Protect yourself and others from infection by washing your hands or using an alcohol based rub frequently and not touching your face. 

Avoid Contact

In sagittis purus eget semper ullamcorper nisi lorem condimentum tellus vitae semper quam enim vitae justo.

Wear A Face Mask

In sagittis purus eget semper ullamcorper nisi lorem condimentum tellus vitae semper quam enim vitae justo.

Avoid Touching Face

In sagittis purus eget semper ullamcorper nisi lorem condimentum tellus vitae semper quam enim vitae justo.

Wash Your Hand

In sagittis purus eget semper ullamcorper nisi lorem condimentum tellus vitae semper quam enim vitae justo.

Avoid Travelling

In sagittis purus eget semper ullamcorper nisi lorem condimentum tellus vitae semper quam enim vitae justo.

Cook Food Thoroughly

In sagittis purus eget semper ullamcorper nisi lorem condimentum tellus vitae semper quam enim vitae justo.

Our Best Corona Fighters

The best way to prevent and slow down transmission is be well informed about the COVID-19 virus, the disease it causes and how it spreads. Protect yourself and others from infection by washing your hands or using an alcohol based rub frequently and not touching your face. 

Sheuli

Fahmida Khatun

Doctor
Reza

Rezaul karim

Doctor
Mostak

Mostak Swapon

Doctor
Dipu

Dipu Badruddoza

Doctor

Frequently Asked Questions

Ut sem viverra aliquet eget sited adipiscing diam donec adipiscing tristique risus nec. In aliquam sem fringilla ut morbi. Egestas fringilla phasellus faucibus scelerisque eleifend donec pretium.

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus. Etiam in enim vestibulum suscipit sem quis molestie nibh attis neque ante vel suscipit odio tristique vel.

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus. Etiam in enim vestibulum suscipit sem quis molestie nibh attis neque ante vel suscipit odio tristique vel.

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus. Etiam in enim vestibulum suscipit sem quis molestie nibh attis neque ante vel suscipit odio tristique vel.

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus. Etiam in enim vestibulum suscipit sem quis molestie nibh attis neque ante vel suscipit odio tristique vel.

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus. Etiam in enim vestibulum suscipit sem quis molestie nibh attis neque ante vel suscipit odio tristique vel.

Suspendisse potenti Phasellus euismod libero in neque molestie et mentum libero maximus. Etiam in enim vestibulum suscipit sem quis molestie nibh attis neque ante vel suscipit odio tristique vel.

Corona

Any Question?

Please feel free to send us a message If you have any question to know more about Corona Virus.

[contact-form-7 id=”9″ title=”Contact form 1″]

News Update For Coronavirus

ভ্যাকসিন বা টিকা মানুষের শরীরে সংক্রামক জীবাণুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। তার জন্য হয় আস্ত ভাইরাস (নিষ্ক্রিয়) বা তার কোনো অংশকে ল্যাবরেটরিতে বিশেষ উপায় পরিশুদ্ধ করে মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। কাজ হয় অনেকটা বিষে বিষে বিষক্ষয়ের মতো।

সারা বিশ্বে আতঙ্ক সৃষ্টি করা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের একটি ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। ইউরোপের দেশ যুক্তরাজ্যে দুই জনের শরীরে এই ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হলো। ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীদের তৈরি এই ভ্যাকসিন সফল হলে বড় ধরনের এক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়ে যাবে গোটা বিশ্ব।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে দুজনের শরীরে এই ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মোট আটশ জন মানুষ এই পরীক্ষামূলক কাজে স্বেচ্ছায় অংশ নিয়েছেন। এই আটশ জনের মধ্যে অর্ধেককে কভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। আর বাকি অর্ধেককে করোনাভাইরাসের নয়, ম্যানিনজাইটিস প্রতিরোধক দেওয়া হবে।

তবে স্বেচ্ছায় অংশ নেওয়া এই কর্মীরা কেমানবদেহে পরীক্ষামূলক করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ উই জানবেন না কোন ভ্যাকসিন তাদের শরীরে প্রয়োগ করা হচ্ছে, জানবেন শুধু ডাক্তাররা। যেখানে দুই গ্রুপের মানুষের মধ্যে আগামী কয়েকমাসে তুলনামূলক বিচার করে ভ্যাকসিনের কাজ হচ্ছে কি-না তা নির্ধারণ করবেন গবেষকরা।

ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নেওয়াদের মধ্যে একজন হলেন এলিসা গ্রানাটো। তিনি বলেন, ‘আমি একজন বিজ্ঞানী, তাই যেভাবেই পারি গবেষকদের সাহায্য করতে চাই।’

অক্সফোর্ড বিজ্ঞানীদের এই ভ্যাকসিন তৈরির প্রচেষ্টায় সব ধরনের সহায়তা করেছে ব্রিটিশ সরকার। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্রিটিশ সরকার বিজ্ঞানীদেরকে অতিরিক্ত ২০ মিলিয়ন পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০৯ কোটি টাকা) দেবে। সিএইচএডিওএক্স-১ এনকভ-১৯ নামের এই ভ্যাকসিনটি আজ সফলভাবে মানবদেহে প্রয়োগ করা হয়।

অক্সফোর্ড বিজ্ঞানীরা আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই ভ্যাকসিন চূড়ান্তভাবে মানবদেহে প্রয়োগের ব্যাপারে আশা প্রকাশ করেছেন। এ জন্য ভ্যাকসিনটির কয়েক লাখ ডোজ তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন তারা।

সূত্র: বিবিসি।

করোনাভাইরাস যতো বেশি এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়াচ্ছে, ততোই দীর্ঘদিন বেঁচে থাকার উপায় হিসেবে সে তার জিনের গঠন বদলে চলেছে। এমন ভাইরাসকে আটকাতে গেলে তার প্রতিরোধী ভ্যাকসিন বা ড্রাগ দরকার। মারণ ভাইরাসকে মানুষের শরীর থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে হলে দরকার শক্তিশালী ভ্যাকসিন বা অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ। এমনটাই বলছেন বিজ্ঞানীরা।

ভ্যাকসিন বা টিকা মানুষের শরীরে সংক্রামক জীবাণুর বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। তার জন্য হয় আস্ত ভাইরাস (নিষ্ক্রিয়) বা তার কোনো অংশকে ল্যাবরেটরিতে বিশেষ উপায় পরিশুদ্ধ করে মানুষের শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। কাজ হয় অনেকটা বিষে বিষে বিষক্ষয়ের মতো।

ভাইরাল প্রোটিন শরীরে ঢুকলেই, শরীর তার প্রতিরোধের জন্য ‘মেমরি বি সেল’ তৈরি করে। এই মেমরি বি সেল দেহকোষকে অ্যান্টিবডি তৈরিতে উদ্দীপিত করে। আরও একটা কাজ হয় এই মেমরি বি সেলের। সেটা হল শরীরকে সংক্রামক ভাইরাসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে রাখা। ভবিষ্যতে এই জাতীয় ভাইরাস শরীরে হানা দিলে যাতে তার উপযোগী অ্যান্টিবডি শরীর নিজেই তৈরি করতে পারে। এটা হল ভ্যাকসিনের কাজ। এমন ভ্যাকসিন বানাতেই মাথা ঘামাচ্ছে গোটা বিশ্ব।

এই ভাইরাসের প্রতিষেধক বের করতে হলে তার চরিত্র আগে বুঝে নিতে হবে। আরএনএ ভাইরাস বিটা-করোনার ভাইরাল স্ট্রেন সার্স-কভ-২ এর মানুষের শরীরে ঢোকার মূল অস্ত্র হল তাদের ওই কাঁটার মতো স্পাইক গ্লাইকোপ্রোটিন। এর সাহায্যে মানুষের দেহকোষের প্রোটিন এসিই-২ (অ্যাঞ্জিওটেনসিন-কনভার্টিং এনজাইম ২)-এর সঙ্গে জোট বেঁধে শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে এরা। এখন ভ্যাকসিনের কাজ হবে দুটো—এক, এই জোট বাঁধার প্রক্রিয়াকে ভেঙে দেওয়া। দুই, অ্যান্ডিবডি তৈরি করে ভাইরাল প্রোটিনগুলোকে নিষ্ক্রিয় করা ও শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো।

বিশ্বের কোন কোন দেশ বানাচ্ছে করোনার ভ্যাকসিন এবং কিভাবে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের তত্ত্বাবধানে ম্যাসাচুসেটসের বায়োটেকনোলজি সংস্থা মোডার্না বানাচ্ছে এমআরএনএ-১২৭৩ ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের প্রথম ট্রায়াল হয়েছে মানুষের শরীরে। মেসেঞ্জার আরএনএ বা এমআরএনএ সিকুয়েন্সকে কাজে লাগিয়েই এই ভ্যাকসিন বানানো হয়েছে। এমআরএনএ হল শরীরের বার্তাবাহক। কোন কোষে প্রোটিন তৈরি হচ্ছে, কোথায় কী রাসায়নিক বদল হচ্ছে সবকিছুর জিনগত তথ্য বা ‘জেনেটিক কোড’ জোগাড় করে সেটা শরীরের প্রয়োজনীয় জায়গায় পৌঁছে দেওয়া।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন বার্তাবাহক এমআরআনএ-কেই ভ্যাকসিন তৈরির ভিত হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। এই ভ্যাকসিনের কাজ হবে শরীরের কোষগুলোকে অ্যান্টি-ভাইরাল প্রোটিন তৈরি করতে উত্‍সাহ দেওয়া। ব্রিটেন জেন্নার ইনস্টিউট ও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে কভিড-১৯ প্রতিরোধী ভ্যাকসিন ChAdOx1 nCoV-19। ইংল্যান্ডের থেমস ভ্যালিতে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হবে ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সী ৫০০ জনের ওপরে।

Shopping Basket